দেশের নাটক চলচ্চিত্র জগতের নানা অসঙ্গতি নিয়ে বিভিন্ন সময় সরব হয়েছেন তিনি এবার এমন একটি প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন যে বিষয়টা হয়তো কমবেশি অনেককে ভাবিয়েছে। কিন্তু কেউ ঘটা করে কিছুই কখনো বলেনি।
চঞ্চল চৌধুরী এবার যার যার প্রাপ্তি তার তার হোক এমন দাবি তুলেছেন। ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস চঞ্চল চৌধুরী লিখলেন।
একটা সময় পদ্মায় লেখা হতো সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালী বা হুমায়ূন আহমেদের শঙ্খনীল কারাগার। বা মামুন রশিদ এর নাটক. বা সালাউদ্দিন লাভলু নাটক।
এরকম মেনেনিতে আপত্তি নেই কারণ যার লেখা তার ইলেকশন হলে এটা লেখা যায়। কিন্তু ইদানিং দেখি দেশি-বিদেশি ওটিজি প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিল্পীর নামে লেখা হয়। অমুকের নাটক বা ওয়েব সিরিজ। যেহেতু শিল্পীদেরকে দর্শকরা বেশি চেনেন। সে ব্যবসায় সুযোগটাও নেবার জন্য এমনটা লেখা হচ্ছে।
এমনকি তিনি আরও লিখেছেন এবার বলুন তো একটি নাটক বা সিনেমা মালিকানা কার। আসলে প্রডিউসারের। প্রচার এর সাথে যদি ডিরেক্টরের নাম যায় তাও মেনে নেয়া যায়। যেমন গিয়াসউদ্দিন সেলিমের সিনেমা মনপুরা, অমিতাভ, রেজার আয়নাবাজি, কিন্তু যদি লেখা হয় চঞ্চল চৌধুরীর তাকদীর আমি বলব এটা ঠিক নয়।
তাকদীর, সৈয়দ শাকিল, হইচইয়ের, আমি এতে অভিনয় করেছি মাত্র। লিখলে এটুকুই লিখবেন চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত তাকদীর। যতই ভালো অভিনয় তিনি করেন না কেন তার সিনেমা সফলতার ক্রেডিট তিনি কখনোই নিতে চান না।
মহানুভবতার পরিচয় হোক কিংবা ন্যায় বিচার করার জন্যই হোক না কেন শুধু পর্দা থাকার জন্য কারো কার নাম ভাঙিয়ে প্রচার-প্রসারের ভাগীদার হতে চান না চঞ্চল।
বরং যারা গল্পটা লিখে সাজায় অথবা পেছনে কাজ করে তাদের ভূমিকা কোন ভাবে অস্বীকার করার নয়। কিন্তু তবুও তারা আড়ালে থেকে যায় আর অভিনেতা তারকারাই বাহবা পায়। অথচ কেবল অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি পেতে চায় চঞ্চল চৌধুরীর।
নাটক চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যকারে রা বরাবরই আড়ালে থেকে যান। বিষয়টি স্মরণ করে অভিনেতা লিখেন চিত্রনাট্যকার দের কথা কি বলবো তারা তো সর্বদাই অবহেলিত যার যার প্রাপ্তি তার তার হোক। নাম বেচা বন্ধ হোক তারকাদের নাম ভাঙিয়ে প্রোডাকশন বিক্রি বা প্রচার বন্ধ হোক নাটক বা সিনেমা টিম ওয়ার্ক এটা মনে রাখলেই চলবে।