গ্রাহকদের তথ্য দেয়াসহ বিভিন্ন নিয়ম রেখে পাস হওয়া আইনের জেরে ভারত সরকারের সঙ্গে সম্প্রতি ফেসবুক টুইটারসহ সামাজিক মাধ্যম গুলোর দ্বন্দ্ব তুঙ্গে ওঠে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা। তবে শেষমেশ সরকারের সঙ্গে যেন আপস করলো হোয়াটসঅ্যাপ।
গত ১৫মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের অস্বাভাবিক সব মেসেজিং ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সামাজিক মাধ্যম টি, এতে বলা হয় হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর যেসব নিয়ম কানুন রয়েছে তার লংঘন করেছে ব্যবহারকারীরা।
অস্বাভাবিক হারে বার্তা পাঠানো সহ সামাজিক মাধ্যমটির নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার কথাও জানায় হোয়াটসঅ্যাপ।
ভারতের বিতর্কিত নতুন তথ্য প্রযুক্তি আইন মেনে প্রথম বারের মতো প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে ক্ষতিকরও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা আদান-প্রদান কমানোর লক্ষ্যে ওই অ্যাকাউন্ট গুলো বাতিল করা হয়েছে।
২০১৯ সালের পর সবচেয়ে বেশি একাউন্ট বাতিল হয়েছে বলে জানায় হোয়াটসঅ্যাপ। বলা হয় সংক্রিয় প্রক্রিয়ায় স্পাম মেসেজ সনাক্তকরণ পদ্ধতি এর উন্নয়ন হওয়ায় এই সংখ্যা আরো বেড়েছে।
ভারতের ৪০ কোটি বেশি মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন, তবে সম্প্রতি গুজব কিংবা ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কে নিয়ন্ত্রণে আনতে উঠেপড়ে লাগে ভারত সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন করে ভারতের মোদি সরকার।
এই আইনের আওতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে গ্রাহকদের বিভিন্ন তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়া পর্যবেক্ষণের জন্য ভারতের স্থানীয় নির্বাহী নিয়োগ দেয়ার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়, ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করল হোয়াটসঅ্যাপ।
