খেলার মাঠে তৈরি করা বিজ তলায় বেড়ে ওঠা ধানের চারা এই দৃশ্য এখন চোখে পড়বে উপজেলার দিনটি স্কুল মাঠে। অভিযোগ রয়েছে স্কুল তিনটি ম্যানেজিং কমিটি ও প্রধান শিক্ষকদের ম্যানেজ করেন স্থানীয় প্রয়াত সেকেন্দার আলী হাওলাদারের ছেলে মোঃ মোশারফ আলী হাওলাদার।
প্রথমে ট্রাক্টর দিয়ে চোষেছে ইউসুফ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে বীজতলা তৈরি করেন তিনি। পরে ফিরোজা মুজিব বিদ্যালয়ের মাঠে একি ভাবে চাষে ধানের বীজ বপন করেন।
স্কুল বন্ধ থাকলেও বর্ষার মৌসুমে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল বেশ জমে ওঠে এইসব মাঠে। কিন্তু এখন আর এই সুযোগ না থাকায় ক্ষোভে উঠেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা। উপজেলা প্রশাসন জানায় বীজতলা সরিয়ে স্কুলের মাঠকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর ও অভিভাবক মহলে প্রত্যাশা অচিরেই তিনটি মাঠ আবারো শিক্ষার্থীরা ফিরে পাবে। এবং খেলাধুলায় মুখর হয়ে উঠবে স্কুলগুলোর প্রাঙ্গণ।
